print this page

ফেসবুকে এক শব্দে নাম

ফেসবুকে সাধারণত নামের প্রথম ও শেষ অংশ দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়। এখন আপনি চাইলেই ফেসবুকে নামের একটি অংশ দিতে পারবেন। নাম যদি হয় ‘কক খখ’ তাহলে ফেসবুকে শুধু কক বা খখ যেকোনো একটি নাম ব্যবহার করতে পারবেন। সাধারণত ফেসবুকে নাম পরিবর্তনের সীমা নির্ধারণ করা থাকে। যদি আপনার অ্যাকাউন্টের নাম পরিবর্তনের সুযোগ থাকে, তাহলে অ্যাকাউন্টের জন্য একটি নাম ব্যবহার করতে পারবেন। মজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজার থেকে যে ফেসবুক অ্যাকাউন্টের নাম পরিবর্তন করতে চান, সেটিতে লগইন করে নিন। এবার ওপরের ডান পাশের মেনু থেকে Settings-এ যান। আলাদা একটি ট্যাবে http://goo.gl/P3Agq7বা http://goo.gl/cWfMyK ওয়েব ঠিকানায় গিয়ে ইন্দোনেশিয়ান আইপি ও পোর্ট অ্যাড্রেস জেনে নিন। এবার মজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজারের Firefox বোতামে ক্লিক করে Options>Options>Advanced>Network>Settings>Manual Proxy configuration-এ টিক চিহ্ন দিয়ে HTTP Proxy ঘরে আগের ওয়েব ঠিকানা থেকে পাওয়া 202.59.163.129 আইপি লিখুন এবং port-এর ঘরে 8080 লিখে Use this proxy server for all protocols-এ টিক চিহ্ন দিয়ে OK করুন৷
এবার ফেসবুকের Settings-এর Languages-এ ক্লিক করে Bahasa Indonesia নির্বাচন করে Save changes-এ ক্লিক করুন। ভাষা পরিবর্তন হয়ে গেলে Nama-এর ডানে Sunting বোতামে ক্লিক করুন। নাম পরিবর্তনের জন্য তিনটা আলাদা ঘর দেখাবে। এখানে প্রথম ঘরে আপনি যে একক নাম (যেমন: কক খখ) দিতে চান, সেটি লিখে বাকি ঘরের নামগুলো কেটে দিন। এবার নিচে Kata Sandi ঘরে ফেসবুক অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড দিয়ে Simpan Perubahan বোতামে ক্লিক করুন। কাজটি সম্পন্ন হয়ে আপনার ফেসবুকের নাম পরিবর্তিত হয়ে নতুন একক নামে পরিণত হবে। এবার কাজ হবে ফেসবুকের ভাষা পরিবর্তন করার। Bahasa ঘরে ক্লিক করে তালিকা থেকে English (US) নির্বাচন করে দিন। প্রক্সি সার্ভার ব্যবহার করার জন্য কাজটি করতে কিছু সময় বেশি লাগতে পারে। কাজ শেষে Firefox বোতামে ক্লিক করে Options>Options>Advanced>Network>Settings-এ গিয়ে No Proxy নির্বাচন করে OK করুন৷
ভিডিও দেখার লিংক:http://youtu.be/_WmXiiPr5-Y


0 comments

মোবাইলের তথ্য মুছবেন যেভাবে

আপনার মোবাইল ফোনে ছবি, ভিডিওসহ নানা তথ্য জমা থাকে। মোবাইল ফোনটি বিক্রির আগে বা কাউকে দেওয়ার আগে কীভাবে মুছে ফেলবেন সব তথ্য? অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনে ডিফল্ট আকারে তথ্য মোছার যে টুল থাকে তা দিয়ে তথ্য মুছলেও পরিপূর্ণভাবে সব তথ্য মোছে না। নিরাপত্তা সফটওয়্যার নির্মাতা অ্যাভাস্টের গবেষকেরা জানিয়েছেন, পুরোনো ফোন থেকে ব্যক্তিগত তথ্য মুছে ফেলতে অ্যান্ড্রয়েডের ফ্যাক্টরি রিসেট টুলটিও যথেষ্ট নয়। তথ্য মুছে ফেলা পুরোনো মোবাইল থেকেও সহজ উপায়ে তথ্য উদ্ধার করা সম্ভব। কিন্তু ফ্যাক্টরি রিসেট করার আগে কয়েকটি প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে মোবাইল ফোন আরও নিরাপদ করে তোলা যায়। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেটের বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন।

মোবাইল ফোন এনক্রিপটিংপ্রথম ধাপ: এনক্রিপটিং

মোবাইল ফোনের তথ্য মুছে ফেলার আগে বা ফ্যাক্টরি রিসেট করার আগে তা এনক্রিপ্ট করে নিতে পারেন। আপনার পণ্যের সব ডাটা এনক্রিপ্ট করার সুবিধা দেয় অ্যান্ড্রয়েড। অ্যান্ড্রয়েডের সিকিউরিটি সেটিংস থেকে ডাটা এনক্রিপ্ট করা যায়। এতে মোবাইল বা ট্যাব প্রতিবার চালু করার সময় ডাটা বা তথ্যে ঢুকতে আলাদা করে পাসওয়ার্ড ও পিন দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। এনক্রিপশন করা থাকলে ফোন যদি দুর্বৃত্তের হাতে পড়ে এবং একবার বন্ধ করে তা আবার চালু করে তবে পিন বা পাসওয়ার্ড ছাড়া তথ্য চুরি করতে পারবে না। ডাটা এনক্রিপশন করলে ফোনের গতি কিছুটা কমে যেতে পারে।
অ্যান্ড্রয়েড ফোনটিকে এনক্রিপ্ট করতে প্রথমে সেটিংসে যান। সেটিংস থেকে সিকিউরিটিতে গিয়ে এনক্রিপ্ট ফোন নির্বাচন করে দিলে ফোন এনক্রিপ্ট করা হয়ে যাবে। অন্যান্য মোবাইলে বিভিন্ন অপশনের নিচে এই ফিচারটি পাওয়া যাবে।

ফ্যাক্টরি রিসেটদ্বিতীয় ধাপ: ফ্যাক্টরি রিসেট

ডাটা এনক্রিপ্ট করার পরের ধাপে এসে আপনি ফোনটিকে ফ্যাক্টরি রিসেট করতে পারেন। অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের সেটিংস মেনুর ব্যাকআপ অ্যান্ড রিসেট অপশনে গিয়ে ফ্যাক্টরি ডাটা রিসেট করে দিলে সব তথ্য মুছে যাবে। ফ্যাক্টরি রিসেট করার আগে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, এই অপশনটি আপনার ফোনের যাবতীয় তথ্য মুছে ফোনটিকে ফ্যাক্টরি থেকে সদ্য বের হওয়া অবস্থায় নিয়ে যাবে, তাই ফ্যাক্টরি রিসেট দেওয়ার আগে প্রয়োজনীয় তথ্যের ব্যাকআপ রাখুন।

তৃতীয় ধাপ: ডামি তথ্য ভর্তি

অধিকাংশ ব্যক্তির ক্ষেত্রেই তথ্য মুছে ফেলার জন্য প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপই যথেষ্ট। কিন্তু অতিরিক্ত আরেকটি নিরাপত্তা ধাপ রয়েছে যা আপনার পুরোনো ফোনের তথ্য মুছে ফেলার আগে বাড়তি নিরাপত্তা যোগ করতে পারে। আপনার মোবাইল ফোনে কিছু ভুয়া ছবি, কন্টাক্ট প্রভৃতি লোড করতে পারেন। কিন্তু কেন ডামি ছবি বা তথ্য আপলোড করবেন?

চতুর্থ ধাপ: আবার ফ্যাক্টরি রিসেট

ডামি তথ্য লোড করার পর আবার আপনার ফোনটিকে ফ্যাক্টরি রিসেট করুন। ফ্যাক্টরি রিসেট করার ফলে আপনার আপলোড করা ডামি তথ্যগুলোও ফোন থেকে মুছে যাবে। এতে যে সুবিধা হবে তা হচ্ছে, ডামি কনটেন্টের নিচে চাপা পড়ে যাবে আপনার মূল তথ্য। কেউ চাইলে আপনার তথ্য আর খুব সহজে উদ্ধার করতে পারবে না। কারও পক্ষে আপনার তথ্য বের করে আনার বিষয়টি হয়ে যাবে অধিক জটিল।
এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরও ভয় পাচ্ছেন? ওপরের প্রক্রিয়াগুলো তিন বা চারবার অনুসরণ করতে পারেন কিংবা যতবার খুশি। তবে প্রথম দুটি ধাপ সম্পন্ন করলেই যথেষ্ট। তবে পুরোনো ফোন বিক্রি করতে না চাইলে তা অকেজো করে ফেলা উচিত বলে বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন।
1 comments

Windows 7 এর পর্দা যখন কালো ।

উইন্ডোজ ৭ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীদের অনেকের কম্পিউটারের ডেস্কটপ পর্দা হঠাৎ করে কালো হয়ে যায়। কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় উইন্ডোজ সক্রিয় করার জন্য বলে। কখনো এটি বেশ বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সাধারণত উইন্ডোজের নিবন্ধনের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে কিংবা পাইরেটেড কপি ব্যবহার করলে এটি সক্রিয় করার কথা বলা হয়। আর ডান পাশের নিচের দিকে Windows 7 licensed is expired, Build 7600 বার্তা দেখায়। চাইলেই এটিকে বন্ধ করা যায় এবং সক্রিয় করার কোনো কিছু (অ্যাকটিভেটর) ছাড়াই মাইক্রোসফটের বিশেষ সুবিধা নিয়ে ৯০ দিনের জন্য উইন্ডোজ ৭ বিনা মূল্যে ব্যবহার করা যায়।
এ কাজ করার জন্য স্টার্ট মেনুতে গিয়ে cmd লিখতে হবে। cmd.exe আসবে, সেটিতে ডান ক্লিক করে Run as administrator খুলুন। এবার কমান্ড উইন্ডোতে slmgr /dlv লিখে এন্টার করুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলে একটি নতুন উইন্ডোর মাধ্যমে নিচ থেকে দ্বিতীয় লাইনে Remaining win…count -‰ দেখাবে। মানে, সর্বোচ্চ কতবার আপনি এই সুবিধাটি ব্যবহার করতে পারবেন। এটি OK করে আবার কমান্ড লাইনে slmgr /rearm লিখে এন্টার করুন। কিছুক্ষণ পর একটি বার্তা দেখিয়ে জানিয়ে দেবে আপনার কাজটি সফল হয়েছে এবং কম্পিউটার রিস্টার্ট করে নিন। রিস্টার্ট করে আগের নিয়মে আবার গিয়ে একই কাজ আরও দুবার করে নিতে হবে। মনে রাখবেন, প্রতিবার কাজটি করার পর কম্পিউটার রিস্টার্ট করতে হবে। তিনবার কাজটি শেষ হলে আপনার উইন্ডোজ ৯০ দিনের জন্য সক্রিয় হবে। ডেস্কটপের পর্দাও তখন আর কালো হবে না। 
0 comments

অদরকারি ফাইল মুছুন ।

যেসব ফাইল সাময়িক কাজের জন্য দরকার হয়, সেসব জমা থাকে উইন্ডোজের Temp ফোল্ডারে। যদিও কাজ শেষে এসব ফাইলের আর দরকার হয় না, তবু অনেক টেম্পোরারি ফাইল হার্ডডিস্ক ড্রাইভে থেকেই যায়। এভাবে ড্রাইভের জায়গা অহেতুক দখল করে রাখে এগুলো।
অদরকারি ফাইলগুলো মুছে ফেললে হার্ডডিস্কের জায়গা যেমন কিছুটা উদ্ধার হয়, তেমনি কম্পিউটারের গতিও খানিকটা বাড়ে। কাজটা করতে চাইলে কি-বোর্ডের Windows Key+R চেপে উইন্ডোজের রান চালু করুন। সেখানে %temp% লিখে এন্টার করুন। বর্তমান ব্যবহারকারীর টেম্প ফোল্ডারটি খুলবে। তারপর কি-বোর্ডের Ctrl + A চেপে ফোল্ডারে থাকা সব ফাইল নির্বাচন করুন। এখন আবার কি-বোর্ডের Shift + Delete চেপে Yes করে সব ফাইল সরাসরি মুছে ফেলুন। বর্তমানে কোনো কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে, এমন কিছু ফাইল এভাবে নাও মুছতে পারে, সে‌ ক্ষেত্রে স্কিপ বা ক্যানসেল চেপে বাতিল করে দিন। এতে কোনো সমস্যা নেই। পরে অন্য কোনো সময় কম্পিউটার নতুন করে চালু করে এ কাজটি আবার করা যাবে।
এবার উইন্ডোজের নিজম্ব টেম্প ফোল্ডারটি মুছে ফেলতে ঠিক আগের মতোই রান প্রোগ্রামটি খুলে নতুন করে শুধু temp লিখে এন্টার করুন। তারপর সব ফাইল নির্বাচন করে Shift + Delete চেপে সরাসরি কম্পিউটার থেকে মুছে দিন। যেসব ফাইল মুছবে না, সেগুলো এড়িয়ে যান। এখন আবার নতুন করে রান প্রোগ্রামটি চালু করুন। সেখানে prefetch লিখে এন্টার করুন। এ েক্ষত্রেও সব কটি ফাইল নির্বাচন করে একবারে মুছে দিন।
তা ছাড়া এ কাজটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে চাইলে একটি ব্যাচ ফাইল বানিয়ে তা করা যাবে। যতবার কম্পিউটার চালু হবে, ততবার সেটি নিজে থেকেই টেম্প ফোল্ডার পরিষ্কার করে ফেলবে। এ জন্য নোটপ্যাড খুলে প্রথম লাইনে rd temp% /s /q লিখে পরের লাইনে md %temp% লিখুন। এখন এ ফাইলটি %appdata%/microsoft/windowstart menu/programstartupleantemp.bat  নামে সেভ করুন। এভাবে স্টার্টআপ সাব-মেনুতে ক্লিনটেম্প নামে একটি ফাইল তৈরি হবে। প্রতিবার কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় এটি নিজে থেকেই তখন কাজ করবে।
0 comments

নিজের FTP সার্ভার ।

ওয়েবসাইট দেখার সফটওয়্যার বা ব্রাউজার দিয়ে বিভিন্ন ফাইল ভাগাভাগির সহজ একটা মাধ্যম হলো এফটিপি সার্ভার। বাসা বা অফিসে থাকা কোনো কম্পিউটার থেকে একাধিক কম্পিউটারে কখনো কখনো ফাইল আদান-প্রদান করতে হয়। পেনড্রাইভ বা অন্য কোনো মাধ্যমে বারবার এসব ফাইল আনা-নেওয়া করা কিছুটা বিড়ম্বনার। এসব কম্পিউটার যদি একই নেটওয়ার্কে থাকে অর্থাৎ লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক-ল্যানে যুক্ত থাকে, তবে এফটিপি সার্ভার তৈরি করে নিলে ব্যাপারটার একটা সুরাহা হয়। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ৭ এবং ৮-এ নিজস্ব এফটিপি সার্ভার সুবিধা চালু করা যায়।
কাজটি শুরু করার আগে ডেস্কটপে একটি নতুন ফোল্ডার তৈরি করে নিন। এরপর Windows Key + R চেপে রান চালু করে cmd লিখে এন্টার করুন। সেখানে ipconfig লিখে এন্টার করলে চালু থাকা নেটওয়ার্ক কার্ডের আইপি (ইন্টারনেট প্রটোকল) ঠিকানাটি জেনে নিন, যেমন 192.168.1.101। এবার কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে Programs and Features ক্লিক করে বাঁয়ে ওপরে থাকা Turn Windows features on or off চালু করুন। সেখান থেকে Internet Information Services অপশনটির যোগ চিহ্নে ক্লিক করে বিস্তৃত করুন। FTP Server, Web Management Tools, World Wide Web Services সব কটি অপশন বেছে নিন। এবার শুধু এফটিপি অপশনটি বিস্তৃত করে FTP Extensibility, FTP Service অপশন দুটিতে ক্লিক করুন। OK করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলেই সুবিধাগুলো চালু হওয়ার বার্তা দেখাবে।
এখন আবার কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে Administrative Tools-এ ক্লিক করে সেখান থেকে Internet Information Services (IIS) Manager চালু করুন। বাঁয়ে থাকা অপশনটি বিস্তৃত হওয়ার পর Sites অপশনটিতে ডান ক্লিক করে Add FTP Site অপশন বাছাই করুন। এবার এফটিপি সাইটের একটি নাম দিয়ে একটু আগে তৈরি করা ফোল্ডারটির অবস্থান দেখিয়ে দিন।
পরের ধাপে কম্পিউটারের আইপি ঠিকানাটা বসান বা নিচের মেনু থেকে নির্বাচন করুন এবং No SSL বাছাই করে নেক্সট চাপুন। অথেনটিকেশন অপশনে Basic, অ্যালাউ অ্যাকসেস টু মেনু থেকে Specific users এবং তার নিচে বর্তমান কম্পিউটার ব্যবহারকারীর নাম লিখুন, পারমিশনে Read, Write দুটিতেই টিক দিয়ে শেষ করুন। আবার কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে উইন্ডোজ ফায়ালওয়াল চালু করুন। বাঁয়ে ওপরে থাকা Allow an app or feature... লিংকে ক্লিক করে তালিকায় থাকা এফটিপি সার্ভারের সব কটি অপশনে টিক দিয়ে ওকে করুন। এখন পছন্দের ব্রাউজার চালু করে তাতে লিখুন ftp://192.168.1.101 (এখানে নিজ কম্পিউটারটির আইপি ঠিকানা বসাতে হবে) এবং এন্টার করুন। ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ডের ঘরে ব্যবহারকারীর নাম এবং পাসওয়ার্ড দিন। এভাবে ডেস্কটপটির ফোল্ডারে থাকা সব ফাইল এখন ব্রাউজারের মাধ্যমে ল্যানে যুক্ত অন্য কম্পিউটার থেকেও দেখা এবং নামানো যাবে। 
0 comments

পাঠানো ইমেইল ফেরত আনবেন কীভাবে?

জিমেইলজিমেইল ব্যবহারকারীদের জন্য বেশ কিছু সুবিধা রেখেছে গুগল। ভুল করে কারও ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে ফেললে দ্রুততম সময়ে তা আবার ফেরত আনার ব্যবস্থাও রয়েছে। অনেকেই জিমেইল ব্যবহার করেন কিন্তু দরকারি কিছু ফিচারের কথা জানা থাকলে তা কাজে লাগাতে পারেন। সম্প্রতি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট বিজনেস ইনসাইডারের এক ভিডিওতে জিমেইলের কিছু ফিচারের কথা তুলে ধরা হয়েছে।
ফেরত আনুন পাঠানো ইমেইল
অনেকেই হয়তো মনের ভুলে বা তড়িঘড়ি করতে গিয়ে ভুল ঠিকানায় মেইলের সেন্ড বাটনে চাপ দিয়ে ফেলেন। কিন্তু এই সেন্ড মেসেজটি ফেরত আনার জন্য আপনি কিছুটা সময় হাতে রাখতে পারেন এমন সুযোগ দিয়ে রেখেছে গুগল। সেন্ড মেসেজ ‘undo’ করার জন্য আপনাকে একটি ফিচার চালু করে রাখতে হবে। অ্যাকাউন্টের ডান দিকের গিয়ার আইকনে ক্লিক করে সেটিংসে যেতে হবে। Setting থেকে ‘Labs’ অপশনে গিয়ে স্ক্রল ডাউন করে ‘Undo Send’ খুঁজে নিয়ে ‘Enable’ করে নিতে। এরপর থেকে মেইল পাঠানোর সময় আপনি একটি হলুদ রঙের পপ আপ বারে আনডু করার অপশনটি দেখতে পাবেন। তাই ভুল করে সেন্ড করে ফেললেও দ্রুত ফেরত আনতে পারবেন সেই মেইল।
ইমেইল সংরক্ষণ করে রাখা
আপনার কাছে আসা মেইলের উত্তর পাঠানোর সময়ই তার একটা কপি সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন। কীভাবে করবেন? সেটিংসে যান, সেখান থেকে ‘শো সেন্ড অ্যান্ড আর্কাইভ বাটন ইন রিপ্লে’ নির্বাচন করে দিন। এতে মেইলের উত্তর লেখার সময় তা সংরক্ষণ করে রাখার সুবিধাটি চালু হবে।
নতুন কম্পোজ উইন্ডো পছন্দ না হলে
জিমেইল ব্যবহারকারীদের সুবিধার জন্য এখন একটি ছোট আকারের কম্পোজ উইন্ডো চালু করেছে গুগল। কিন্তু এই উইন্ডো পছন্দ না হলে উইন্ডোজ পিসির জন্য কন্ট্রোল, ক্লিক ও ম্যাকের জন্য কমান্ড. ক্লিক করে বড় আকারের উইন্ডোজ খুলে নিতে পারেন। 
ইমেইলের অ্যাটাচমেন্ট খোঁজ করা
মেইল ব্যবহারকারীদের জন্য পুরোনো মেইল ও অ্যাটাচমেন্ট খোঁজার বিশেষ সেবাও চালু রেখেছে গুগল। যাঁরা পুরোনো অ্যাটাচমেন্ট খুঁজতে চান তাঁরা সার্চবার থেকে ‘ has:attachment’ লিখে সার্চ করুন। ফাইল অ্যাটাচ করা আছে কেবল এমন মেইলগুলোই আসবে সার্চ রেজাল্টে। কিছুটা হলেও সহজ হয়ে যাবে বিশেষ সেই মেইলের অনুসন্ধান।
এ ছাড়া আপনি কত বড় আকারের অ্যাটাচমেন্ট খুঁজছেন তার ভিত্তিতেও সার্চ দিতে পারেন। যে আকারের অ্যাটাচমেন্ট সার্চ করছেন সার্চ বক্সে গিয়ে তা লিখে সার্চ করতে পারেন। যেমন সার্চবক্সে যদি আপনি size:1m লেখেন, তবে আপনি এক মেগাবাইট বা তার চেয়ে বড় আকারের অ্যাটাচমেন্ট যুক্ত মেইলগুলো দেখতে পারবেন।
একই ইমেইল বারবার পাঠাতে
একই মেইল যদি বারবার পাঠাতে হয়, তবে পুরো কাজটি সহজ করে দিতে পারে জিমেইলের ‘ক্যানড রেসপন্স ফিচার’। এটির জন্য গিয়ার আইকন থেকে সেটিংসের ল্যাবস সেকশনে ঢুকতে হবে। স্ক্রল ডাউন করে খুঁজে নিতে হবে ‘ক্যানড রেসপন্স’ ফিচারটি। এটি এনাবল করেই একই মেইল বারবার টাইপ করার ঝামেলা থেকে মুক্তি মিলবে। 
ভিডিও দেখার লিংক: http://youtu.be/plILdxMkdtY
0 comments

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে নতুন?

গুগলের ডিভাইস অ্যাসিস্টগুগলের ডিভাইস অ্যাসিস্টযাঁরা প্রথম অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহার করছেন, তাঁদের যথাসাধ্য সাহায্য করছে গুগল। ‘Device Assist’ নামের নতুন একটি অ্যাপও Play Store এ উন্মুক্ত করেছে গুগল কর্তৃপক্ষ।
এ অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য নানা কাজে লাগবে। অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে কোনো সমস্যা দেখা দিলে এই অ্যাপ তা শনাক্ত করতে পারে এবং অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ফিচারগুলো কীভাবে সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে সাহায্য করে। এক খবরে আইএএনএস এ তথ্য জানিয়েছে।
নতুন অ্যান্ড্রয়েডনির্ভর ফোন ব্যবহারকারীরা এটি ব্যবহারের সময় কোনো ঝামেলায় পড়লে এই অ্যাপটি থেকে সাহায্য নিতে পারবেন। ফোনে ব্যাটারি, নেটওয়ার্ক সংযোগ কিংবা জিপিএসের মতো সমস্যা ধরা পড়লে এই অ্যাপ থেকেই সমাধান করা যাবে। ফোনের পারফরম্যান্স উন্নত করা ও নতুন ফিচারের অভিজ্ঞতা নেওয়ার কাজেও এ অ্যাপটিকে কাজে লাগানো যাবে।
গুগলের নেক্সাস সিরিজ ও প্লে সংস্করণের ডিভাইস ব্যবহারকারীরা ‘লাইভ গুগল সাপোর্ট’ পাবেন।
একজন অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারী তাঁর মন্তব্যে লিখেছেন, যাঁরা খুব বেশি প্রযুক্তিবান্ধব নন, তাঁদের জন্য দারুণ একটি অ্যাপ। যাঁরা নতুন অ্যান্ড্রয়েড ফোন কিনে আমার কাছে সব সময় সাহায্য চান, তাঁদের আমি এ অ্যাপটির কথা বলেছি।’
নতুন অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য কাজে লাগবে—এমন বেশ কিছু পরামর্শ এই অ্যাপের মধ্যে রয়েছে।
অ্যাপটির লিংক (https://play.google.com/store/apps/details?id=com.google.android.apps.cavalry)
0 comments
 
Copyright © 2014. Solution - All Rights Reserved
Template Created by CHOION