UTorrent এর অনাকাঙ্খিত Ads মুছে ফেলুন
- ধাপ ১: প্রথমে uTorrent open করুন , তারপর Options ট্যাব থেকে Preferences এ click করুন.
- ধাপ 2: তারপর Preferences এর একবারে নিচে Advanced এ click করুন এবং filter option টিতে “offers” লিখে এন্টার চাপুন.
- ধাপ 3: এখন নিচে স্ক্রল করে " offers.left_rail_offer_enabled " "offers.sponsored_torrent_offer_enabled" এই দুইটি option এর false এ click করে ok করে বেরিয়ে আসুন|
- ধাপ 4: এখন uTorrent কেটে আবার নতুন করে open করুন | দেখবেন এর অ্যাড দেখা যাবেনা|.
VLC Media Player ব্যবহার করে ডেস্কটপ ভিডিও রেকর্ড করুন
- প্রথমে VLC Player open করে Media তে Click করুন, তারপর Open Capture Device এ Click করুন.
| চয়ন |
- Capture Device Tab Option থেকে Capture mode , Desktop নির্বাচন করুন
| চয়ন |
- নিজের ইচ্ছামত ফ্রেম রেট মান পরিবর্তন করে নিন |
| চয়ন |
- নিচে Play Button এর dropdown মেনু থেকে Convert select করুন.
| চয়ন |
- পরবর্তী window তে , Video – H.264 + MP3 (MP4) এই option টি সিলেক্ট করে নিন |
| চয়ন |
- তারপর Destination file এ click করে নিজের ইচ্ছেমতো জায়গায় recorded video saveকরতে পারবেন.
- অবশেষে ভিডিও রেকর্ড করতে Start বাটন এ ক্লিক করুন.
- স্টপ বাটন এ ক্লিক করে ভিডিও রেকর্ডিং বন্ধ করতে পারবেন |
| চয়ন |
কিভাবে GMAIL এর মাধ্যমে বড় ফাইল পাঠাবেন
ধাপ ১:আপনার Gmail একাউন্টে সাইন ইন করুন এবং Compose বাটন এ ক্লিক করুন |
ধাপ ২: তারপর আপনি যাকে ইমেইল পাঠাতে চান তার ইমেইল ঠিকানা দিন| ইমেইল এর বিষয় দিন |তারপর নিচে Insert files using Drive option টিতে click করুন|
ধাপ ২: তারপর আপনি যাকে ইমেইল পাঠাতে চান তার ইমেইল ঠিকানা দিন| ইমেইল এর বিষয় দিন |তারপর নিচে Insert files using Drive option টিতে click করুন|
অবশেষে আপনার Google ড্রাইভ অ্যাকাউন্ট ফাইল আপলোড শুরু করার জন্য আপলোড বাটন এ ক্লিক করুন.
ধাপ ৩: যখন ফাইল upload শেষ হবে , তখন ফাইল এর নাম দেখতে পারবেন | এখন শুধু send বাটন এ click করলে আপনার মেইল টি চলে যাবে|
অদৃশ্য ফোল্ডার (Invisible Folder) তৈরি করা
আমরা আমাদের প্রয়োজনে অনেক নতুন ফোল্ডার তৈরি করি । কিন্তু Hide না করলে প্রত্যেক ফোল্ডারই দেখা যাবে। Hide না করেও এমন ফোল্ডার তৈরি করা যায় যা দেখা যায় না । এখন আমরা দেখব কিভাবে এই অদৃশ্য ফোল্ডার তৈরি করা যায় ।
প্রথমে আমাদেরকে নাম ছাড়া ফোল্ডার তৈরি করতে হবে ।
নাম ছাড়া ফোল্ডার তৈরির নিয়ম :
১. প্রথমে একটি New Folder তৈরি করতে হবে ।
২. New Folder টির উপর Mouse এর Right button এ click করে Rename এ click করতে হবে ।
৩. Backspace চেপে New Folder নামটি কাটতে হবে ।
৪. তারপর কিবোর্ডের ALT key চেপে ধরে রেখে কিবোর্ডের সর্ব ডানে NUM pad এ ক্রমানুসারে 2 5 5 চাপতে হবে ।
৫. তারপর Enter এ click করলেই নাম ছাড়া ফোল্ডার তৈরি হয়ে যাবে ।
এবার আমরা দেখব কিভাবে ফোল্ডারে blank ICON দিতে হয় ।
১. ফোল্ডারটির উপর Mouse এর Right button এ click করে Properties এ click করতে হবে।
২. ডান দিকের Customize Option এ click করতে হবে।
৩. Change Icon option এ click করতে হবে।
৪. তারপর right arrow চিহ্নিত Button এ click করে কিছু Blank icon আছে তা খুজে নিতে হবে এবং তার উপর click করতে হবে।
৫. তারপর ok দিয়ে বেরিয়ে আসলেই আমরা দেখব যে ফোল্ডারটি আর দেখা যাচ্ছে না।
এখন পূর্বে যেখানে ফোল্ডারটি ছিল সেখানে Mouse এর Pointer নিলে দেখা যাবে যে এখানে একটি ফোল্ডার আছে। নয়ত ফোল্ডারটি দেখা যাবে না।
GMAIL অ্যাকাউন্ট লগ আউট করুন দূরে বসেই
অনেক সময় আমরা আমাদের নিজের কম্পিউটার ছাড়া অন্য পিসি'তে জিমেইল লগ ইন করে থাকি। আর দেখা যায় অনেক সময় আমরা কাজ শেষে লগ আউট করতে ভুলে যাই। অথবা আমাদের দেশে দেখা যায় হঠাৎ করেই ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পরে।এক্ষেত্রে পরে জিমেইল অ্যাকাউন্ট লগ আউট করা যাবে।
এজন্য যা করতে হবে:
এজন্য যা করতে হবে:
- প্রথমে আপনার gmail account এ log in করুন |
- এরপর স্ক্রল করে পেজের একেবারে নিচের দিকে ‘Details’ –এ ক্লিক করুন|
- এখানে দেখা যাবে অ্যাকাউন্টে আগের লগইনের বিস্তারিত |
- এর ঠিক উপরে দেখা যাবে সবগুলো সেশনের লগআউটের একটি বাটন |
- যদি কোনো ডিভাইস থেকে লগইন করে লগআউট না করা হয়, তাহলে এখানে ক্লিক করে সবগুলো থেকে
লগআউট করে নেয়া যাবে।
উইন্ডোজ দশের সেরা ১০
ফিরে এসেছে স্টার্ট মেনু
উইন্ডোজের প্রচলিত সংস্করণগুলোর গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় ছিল স্টার্ট মেনু। বাম পাশে থাকা এ বোতামটি হঠাৎ সরিয়ে নেয় মাইক্রোসফট। উইন্ডোজ ১০-এ আবার ফিরে আসছে স্টার্ট মেনু। নতুন মেনু আসছে নতুন সুবিধা নিয়ে। এতে ক্লিক করলে দুটি সুবিধা পাওয়া যাবে। যার এক প্যানেলে থাকবে পিন করে রাখা সফটওয়্যার এবং অন্য পাশে থাকবে সর্বশেষ ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলো। এ ছাড়া থাকছে পাওয়ার বোতাম, হাইবারনেট বা স্ট্যান্ডবাই এবং বন্ধ করার সুবিধাও। এটি ইচ্ছেমতো স্মার্টফোন, ট্যাবলেট বা ডেস্কটপেও রাখা যাবে।
ডেস্কটপেও কর্টানা
মাইক্রোসফটের কণ্ঠ নিয়ন্ত্রিত ভার্চুয়াল ব্যক্তিগত সহকারী ‘কর্টানা’ এবার উইন্ডোজ ১০-এর ডেস্কটপ সংস্করণেও ব্যবহার করা যাবে। কণ্ঠ দিয়েই নিজের কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করে নির্দিষ্ট ফাইল, ছবি ইত্যাদি সহজেই খুঁজে পাওয়া যাবে। এ ছাড়াও তাৎক্ষণিকভাবে ই-মেইলও পাঠানো যাবে।
এক্সবক্স অ্যাপ
এক্সবক্স ওয়ান কিংবা অন্যান্য গেম খেলার জন্য বাড়তি কিছুর প্রয়োজন নেই। এবার উইন্ডোজ ১০ সংস্করণেই থাকছে এক্সবক্স অ্যাপ। ডিজিটাল ভয়েস রেকর্ডার সুবিধাযুক্ত এ অ্যাপে পছন্দসই গেম খেলা যাবে এবং গেমের নানা অংশ চাইলে সংরক্ষণের সুবিধাও পাওয়া যাবে।
স্পার্টান ব্রাউজার
প্রথম কোনো উইন্ডোজে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার থাকছে না। বদলে থাকছে নতুন ব্রাউজার ‘স্পার্টান’। এতে পাওয়া যাবে কর্টানা ব্যবহারের সুবিধা।
উন্নত মাল্টিটাস্কিং
মাল্টিটাস্কিং সুবিধা ব্যবহার করে একাধিক উইন্ডোজ চালানোর সুবিধা যুক্ত হচ্ছে দশে। নির্দিষ্ট একটি ডেস্কটপের পাশাপাশি একাধিক ডেস্কটপ তৈরির এ বৈশিষ্ট্য নতুন এক মাত্রা দিয়েছে এ সংস্করণটিকে। এ সুবিধাটি অনেকটা অ্যাপলের ওএসএক্স অপারেটিং সুবিধার মতোই যাতে নিজের কাজের সফটওয়্যার কিংবা অ্যাপ সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।
ইউনিভার্সাল অ্যাপস
সফটওয়্যারকে বিভাগভিত্তিক ব্যবহারের সুবিধা নিয়ে মাইক্রোসফট এবার চালু করেছে ইউনিভার্সাল অ্যাপস নামের নতুন সুবিধা। এর ফলে পুরো অপারেটিং সিস্টেম, ছবি, ভিডিও, সংগীত, ম্যাপ, বার্তা আদান-প্রদান এবং ই-মেইল, ক্যালেন্ডার ইত্যাদি সুবিধাগুলো ডেস্কটপের পাশাপাশি ট্যাবলেট, স্মার্টফোনেও ব্যবহার করা যাবে। এসব কাজের তথ্যগুলো জমা হবে ‘ওয়ান ড্রাইভ’-এ সংরক্ষিত হবে।
অফিস অ্যাপে টাচ সুবিধা
মাইক্রোসফটের জনপ্রিয় অফিস সফটওয়্যারে ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট এবং আউটলুক ইত্যাদি প্রোগ্রামগুলোতে এবার যুক্ত হয়েছে স্পর্শ সুবিধা। এর ফলে এ প্রোগ্রামগুলো ডেস্কটপের পাশাপাশি স্মার্টফোন, ট্যাবলেটেও ব্যবহার করা যাবে।
কন্টিনিয়াম
হাইব্রিড ল্যাপটপ এবং ট্যাবলেটের উপযোগী উইন্ডোজ ১০ সংস্করণে যুক্ত হয়েছে নতুন এই সুবিধা। এর ফলে এ স্বয়ংক্রিয় সুবিধাটি নিজেই বুঝতে পারবে, কখন ব্যবহারকারী কি-বোর্ড কিংবা মাউস যুক্ত করছেন আবার কখন সেটি খুলে ফেলছেন। খুলে ফেললে চালু হবে টাচস্ক্রিন সুবিধাযুক্ত ট্যাবলেট উপযোগী ব্যবস্থা। এর সাহায্যে ভার্চুয়াল একধরনের কি-বোর্ড ব্যবহার করেই কাজ করা যাবে।
অ্যাকশন সেন্টার
সব ধরনের বার্তা বা নোটিফিকেশন এক জায়গায় পেতে এ সংস্করণে রাখা হয়েছে ‘দ্য অ্যাকশন সেন্টার’। এটি অনেকটা অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএসে চলা যন্ত্রে এক জায়গায় সব নোটিফিকেশন পাওয়ার সুবিধার মতোই।
ইউনিফায়েড সেটিংস

ডেস্কটপেও কর্টানা
মাইক্রোসফটের কণ্ঠ নিয়ন্ত্রিত ভার্চুয়াল ব্যক্তিগত সহকারী ‘কর্টানা’ এবার উইন্ডোজ ১০-এর ডেস্কটপ সংস্করণেও ব্যবহার করা যাবে। কণ্ঠ দিয়েই নিজের কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করে নির্দিষ্ট ফাইল, ছবি ইত্যাদি সহজেই খুঁজে পাওয়া যাবে। এ ছাড়াও তাৎক্ষণিকভাবে ই-মেইলও পাঠানো যাবে।
এক্সবক্স অ্যাপ
এক্সবক্স ওয়ান কিংবা অন্যান্য গেম খেলার জন্য বাড়তি কিছুর প্রয়োজন নেই। এবার উইন্ডোজ ১০ সংস্করণেই থাকছে এক্সবক্স অ্যাপ। ডিজিটাল ভয়েস রেকর্ডার সুবিধাযুক্ত এ অ্যাপে পছন্দসই গেম খেলা যাবে এবং গেমের নানা অংশ চাইলে সংরক্ষণের সুবিধাও পাওয়া যাবে।
স্পার্টান ব্রাউজার
প্রথম কোনো উইন্ডোজে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার থাকছে না। বদলে থাকছে নতুন ব্রাউজার ‘স্পার্টান’। এতে পাওয়া যাবে কর্টানা ব্যবহারের সুবিধা।
উন্নত মাল্টিটাস্কিং
মাল্টিটাস্কিং সুবিধা ব্যবহার করে একাধিক উইন্ডোজ চালানোর সুবিধা যুক্ত হচ্ছে দশে। নির্দিষ্ট একটি ডেস্কটপের পাশাপাশি একাধিক ডেস্কটপ তৈরির এ বৈশিষ্ট্য নতুন এক মাত্রা দিয়েছে এ সংস্করণটিকে। এ সুবিধাটি অনেকটা অ্যাপলের ওএসএক্স অপারেটিং সুবিধার মতোই যাতে নিজের কাজের সফটওয়্যার কিংবা অ্যাপ সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।
ইউনিভার্সাল অ্যাপস
সফটওয়্যারকে বিভাগভিত্তিক ব্যবহারের সুবিধা নিয়ে মাইক্রোসফট এবার চালু করেছে ইউনিভার্সাল অ্যাপস নামের নতুন সুবিধা। এর ফলে পুরো অপারেটিং সিস্টেম, ছবি, ভিডিও, সংগীত, ম্যাপ, বার্তা আদান-প্রদান এবং ই-মেইল, ক্যালেন্ডার ইত্যাদি সুবিধাগুলো ডেস্কটপের পাশাপাশি ট্যাবলেট, স্মার্টফোনেও ব্যবহার করা যাবে। এসব কাজের তথ্যগুলো জমা হবে ‘ওয়ান ড্রাইভ’-এ সংরক্ষিত হবে।
অফিস অ্যাপে টাচ সুবিধা
মাইক্রোসফটের জনপ্রিয় অফিস সফটওয়্যারে ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট এবং আউটলুক ইত্যাদি প্রোগ্রামগুলোতে এবার যুক্ত হয়েছে স্পর্শ সুবিধা। এর ফলে এ প্রোগ্রামগুলো ডেস্কটপের পাশাপাশি স্মার্টফোন, ট্যাবলেটেও ব্যবহার করা যাবে।
কন্টিনিয়াম
হাইব্রিড ল্যাপটপ এবং ট্যাবলেটের উপযোগী উইন্ডোজ ১০ সংস্করণে যুক্ত হয়েছে নতুন এই সুবিধা। এর ফলে এ স্বয়ংক্রিয় সুবিধাটি নিজেই বুঝতে পারবে, কখন ব্যবহারকারী কি-বোর্ড কিংবা মাউস যুক্ত করছেন আবার কখন সেটি খুলে ফেলছেন। খুলে ফেললে চালু হবে টাচস্ক্রিন সুবিধাযুক্ত ট্যাবলেট উপযোগী ব্যবস্থা। এর সাহায্যে ভার্চুয়াল একধরনের কি-বোর্ড ব্যবহার করেই কাজ করা যাবে।
অ্যাকশন সেন্টার
সব ধরনের বার্তা বা নোটিফিকেশন এক জায়গায় পেতে এ সংস্করণে রাখা হয়েছে ‘দ্য অ্যাকশন সেন্টার’। এটি অনেকটা অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএসে চলা যন্ত্রে এক জায়গায় সব নোটিফিকেশন পাওয়ার সুবিধার মতোই।
ইউনিফায়েড সেটিংস
অন্য যন্ত্র ও কম্পিউটারের সেটিংস সুবিধা আলদা রাখতে উইন্ডোজ দশে থাকছে ইউনিফায়েড সেটিংস সুবিধা। এর ফলে একই অপারেটিং সিস্টেম বিভিন্ন যন্ত্রে ব্যবহার করলেও তেমন কোনো সমস্যা হবে না ব্যবহারকারীদের।
হোয়াটস অ্যাপে ভয়েস কলিং অ্যাক্টিভেট
আপনার অ্যান্ড্রয়েড হ্যান্ডসেটটিতে হোয়াটস অ্যাপের সর্বশেষ ভার্সন ২.১২.৭ ডাউনলোড করুন। গুগল প্লে-স্টোর থেকে ডাউনলোড করলে আপনাকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে, আপনার ডিভাইসটি ২.১১.৫৬১ ভার্সনের কি-না।
আপনার অ্যান্ড্রয়েডে সর্বশেষ ভার্সনটি ইন্সটল করার পর হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে ভয়েস কলিং সুবিধা রয়েছে এমন কাউকে কল দিতে বলুন। তাতে সর্বশেষ ভার্সনটি আপনার হ্যান্ডসেটে ইন্সটল হয়েছে কি-না তা নিশ্চিত হতে পারবেন।
ফিচারটি আপনার স্মার্টফোনে অ্যাক্টিভ হওয়ার পর আপনি তিনটি নতুন লে-আউট দেখতে পাবেন। এর মধ্যে একটি কল, একটি চ্যাট ও একটি কন্টাকটের।
কিভাবে TeamViewer এর Session রেকর্ড করবেন
1.TeamViewer চালু করুন এবং অন্য আরেকটি pc এর এক্সেস নিন.
2.যখন session আরম্ভ হবে , তখন click Extras > Record > Start button এ click করে record শুরু করুন. রেকর্ডিং শেষ হলে, স্টপ করুন click Stop button ( Extras > Record > Stop) রেকর্ডিং শেষ এবং একটি পছন্দসই স্থানে ফাইল সংরক্ষণ করুন.আমরা জানি যে, TeamViewer .tvs বিন্যাসে ভিডিও ফাইল সংরক্ষণ করে.

.tvs ফাইল থেকে .avi ভিডিও ফাইলে রূপান্তর করুন:
১. TeamViewer সফ্টওয়্যার open করুন| main স্ক্রিন থেকে click Extras > Play or convert recorded session এ click করুন| রেকর্ড ফাইল অবস্থান ব্রাউজ করতে রেকর্ডকৃত সময় বিকল্প রূপান্তর. ভিডিও ফাইল নির্বাচন করুন|




.avi ফাইল তারপর যে কোন মিডিয়া প্লেয়ার সফটওয়্যার দিয়ে খেলা যায়.
আরেকটা উপায়
স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমস্ত সেশন রেকর্ড:
একটি বিকল্প স্বয়ংক্রিয়ভাবে সব আপনার সেশন রেকর্ড পাওয়া যায়.
১.TeamViewer open করুন
২.click Extras, Options তারপর Remote Control.
৩.Enable করুন Auto record remote control sessions option টি

2.যখন session আরম্ভ হবে , তখন click Extras > Record > Start button এ click করে record শুরু করুন. রেকর্ডিং শেষ হলে, স্টপ করুন click Stop button ( Extras > Record > Stop) রেকর্ডিং শেষ এবং একটি পছন্দসই স্থানে ফাইল সংরক্ষণ করুন.আমরা জানি যে, TeamViewer .tvs বিন্যাসে ভিডিও ফাইল সংরক্ষণ করে.
.tvs ফাইল থেকে .avi ভিডিও ফাইলে রূপান্তর করুন:
১. TeamViewer সফ্টওয়্যার open করুন| main স্ক্রিন থেকে click Extras > Play or convert recorded session এ click করুন| রেকর্ড ফাইল অবস্থান ব্রাউজ করতে রেকর্ডকৃত সময় বিকল্প রূপান্তর. ভিডিও ফাইল নির্বাচন করুন|
.avi ফাইল তারপর যে কোন মিডিয়া প্লেয়ার সফটওয়্যার দিয়ে খেলা যায়.
আরেকটা উপায়
স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমস্ত সেশন রেকর্ড:
একটি বিকল্প স্বয়ংক্রিয়ভাবে সব আপনার সেশন রেকর্ড পাওয়া যায়.
১.TeamViewer open করুন
২.click Extras, Options তারপর Remote Control.
৩.Enable করুন Auto record remote control sessions option টি
অতি সহজে HIDE করুন HARD DRIVE
HIDE করা :
১. প্রথমে Start এ click করে RUN এ যেতে হবে অথবা windows logo key + r press করে RUN এ যেতে হবে ।
২. cmd লিখে Enter চাপতে হবে : এর ফলে Windows Command Prompt open হবে ।
৩. Windows Command Prompt এ diskpart লিখে Enter চাপতে হবে ।
৪. list volume লিখে Enter চাপতে হবে : এর ফলে সকল Drive এর Volume number এবং Drive letter দেখা যাবে ।
৫. এখন যে Drive টি Hide করব তার Volume number select করতে হবে । সেজন্য লিখতে হবে :select volume 1 (ধরি আমরা E নামের একটি Drive Hide করব যার Volume number 1 তাইvolume 1 লিখা হয়েছে । Volume number অন্য কিছু হলে সেটা লিখতে হবে ।)
৬. তারপর যে Drive টি Hide করব remove letter লিখে সেই Drive টির Drive letter লিখতে হবে । যেমন E Drive টি Hide করার জন্য লিখতে হবে : remove letter E
৭. এরপর Windos restart দিলেই দেখতে পাব Drive টি Hide হয়ে গেছে ।
UNHIDE করা :
পূর্বে উল্লেখিত নিয়মের ১ থেকে ৪ পর্যন্ত অনুসরন করতে হবে ।
তারপর :
৫. এখন যে Drive টি Unhide করব তার Volume number select করতে হবে । সেজন্য লিখতে হবে :select volume 1 (ধরি আমরা E নামের একটি Drive Unhide করব যার Volume number 1 তাইvolume 1 লিখা হয়েছে । Volume number অন্য কিছু হলে সেটা লিখতে হবে ।)
৬. তারপর যে Drive টি Unhide করব assign letter লিখে সেই Drive টির Drive letter লিখতে হবে । যেমন E Drive টি Unhide করার জন্য লিখতে হবে : assign letter E
৭. এরপর Windows restart দিলেই দেখতে পাব Drive টি আবার দেখা যাচ্ছে ।
কেউ ভুল পাসওয়ার্ড দিলে অস্থায়ীভাবে লক হবে আপনার কম্পিউটার (Computer)
আপনি যখন কম্পিউটার থেকে দূরে থাকেন সেই সময় যে কেউ চেষ্টা করতে পারে আপনার কম্পিউটার ব্যবহারের জন্য আনুমান করে পাসওয়ার্ড দিয়ে। আপনি উইন্ডোজ সিকিউরিটি সেটিং এর মাধ্যমে অস্হায়ী ভাবে লক করতে পারবেন যদি কেহ একের অধিক ভুল পাসওয়ার্ড দেয়। ভুল পাসওয়ার্ড দিলে আপনার সিসটেম লক হয়ে যাবে ৩০ মিনিটের জন্য অথবা আপনি যেভাবে সেটিং করবেন। Windows 7 এ কাজটি কিভাবে করা যায় তা নিচে আলোচনা করা হল।
১. Start up সার্চ বক্সে Local Security Policy টাইপ করে এন্টার করুন।
২. এখান থেকে বাম পাশের উইন্ডো থেকে Account Policies এ যান এবং Account Lockout Policy সিলেক্ট করুন।
৩. এখন ডান পাশের উইন্ডো থেকে Account lockout threshold অপশন এ ডাবল ক্লিক করুন।
৪. নতুন উইন্ডো খুলবে এবং সেখানে value দেন কতবার ভুল পাসওয়ার্ড দিলে আপনার পিসি লক হবে এবং Apply বাটনে ক্লিক করুন।
৫. Apply বাটনে ক্লিক করলে একটি উইন্ডো খুলবে এবং আপনাকে দেখাবে একাউন্ট ৩০ মিনিটের জন্য লক হবে ভুল পাসওয়ার্ড দিলে। আপনি ইচ্ছে করলে আপনার ইচ্ছে মত সময় পরিবর্তন করতে পারেন Reset account lockout counter এ ক্লিক এর মাধ্যমে ।
৬. এরপর Ok করে বেরিয়ে আসুন।
Android Phones এবং Tablets এ স্ক্রিনশট নিন
Android এর উপর একটি স্ক্রিনশট নেওয়া সহজ | কিন্তু এক এক স্মার্ট phone এ এক এক রকম|

পদ্ধতি ১:অ্যানড্রইড 4.0 এবং তার উপর এর version গুলোতে স্ক্রিনশট নিতে প্রথম এবং সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হল 1 থেকে 2 সেকেন্ডের জন্য একই সময়ে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোন এর পাওয়ার এবং ভলিউম ডাউন বাটন চাপুন. তারপর আপনি একটি শাটার শব্দ শুনতে হবে এবং পর্দা ফ্ল্যাশ হবে |
দ্রষ্টব্য: এই পদ্ধতি কাজ করবে - মাইক্রোম্যাক্স, কিছু স্যামসং এবং অন্যান্য ফোনের. তার এছাড়াও আপনি ভিডিও বাজানোর সময় ও স্ক্রিনশট নিতে পারবেন |
পদ্ধতি ২:দ্বিতীয় পদ্ধতি খুব সহজ. এই পদ্ধতি অনেক স্যামসাং অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে কাজ করবে| 1 থেকে 2 সেকেন্ডের জন্য একই সময়ে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোন এর হোম বাটন এবং পাওয়ার বাটন চাপুন|

পদ্ধতি ১:অ্যানড্রইড 4.0 এবং তার উপর এর version গুলোতে স্ক্রিনশট নিতে প্রথম এবং সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হল 1 থেকে 2 সেকেন্ডের জন্য একই সময়ে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোন এর পাওয়ার এবং ভলিউম ডাউন বাটন চাপুন. তারপর আপনি একটি শাটার শব্দ শুনতে হবে এবং পর্দা ফ্ল্যাশ হবে |
দ্রষ্টব্য: এই পদ্ধতি কাজ করবে - মাইক্রোম্যাক্স, কিছু স্যামসং এবং অন্যান্য ফোনের. তার এছাড়াও আপনি ভিডিও বাজানোর সময় ও স্ক্রিনশট নিতে পারবেন |
![]() |
| চয়ন |
![]() |
| চয়ন |
পদ্ধতি ৩: কিছু কিছু mobile এ 'Take a screenshot' এই option টি পাওয়া যায় , phone এর power button এ চাপলে এই option টা আসবে |

চেষ্টা করে দেখুন|
ছবি থেকে কপি করুন যেকোন টেক্সট ।
ছবি থেকে যেকোন ধরনের লিখা কপি করা যায় অতি সহজে। এর জন্য আপনার Computer এ Microsoft Office ইনস্টল দেয়া থাকতে হবে। না থাকলে ইনস্টল করে নিতে হবে। তারপর :
১. Start এ Click করে All Programs option এ click করতে হবে।
২. এখান থেকে Microsoft Office Folder এ Click করতে হবে।
৪. এরপর যে ছবি থেকে text কপি করতে হবে সেই ছবিটি কপি করে Microsoft OneNote এ পেস্ট করতে হবে।
ফেইসবুকের ম্যাসেজ, বন্ধুদের স্ট্যাটাস, ছবি ট্যাগ,কমেন্ট সবই চলে আসবে আপনার মোবাইলের sms এ।পুরা ফ্রী !
ব্যাপারটা বোধহয় বেশ পুরনো।তারপরও যারা না জানে তাদের জন্য এই পোস্ট।আর বিজ্ঞান বাংলায় এটি নিয়ে কোন পোস্ট না থাকায় এটি নিয়ে লিখছি।যাই হোক,এটি Facebook এর একটি ফ্রী সেবা।নাম facebook mobile।এটির মাধ্যমে আপনার মোবাইলে চলে আসবে আপনার Facebook এর massage,coment, photo tag ইত্যাদি।এবার ঝটপট করে ফেলা যাক-
- প্রথমে আপনার Facebook account এ লগ ইন করুন
- এবার account settings এ যান
- এবার বাম পাশের থেকে mobile এ select করুন
- এখন নিচে দেখুন facebook mobile lলেখা আছে ।সেখানে clik করুন
- এবার get the app
- তারপর আপনার mobile number টি এড করুন ।
- এবার আপনার জন্য একটি conformation code send করা হয়েছে ,এটি আপনি ইন্টার করে confirm করুন ।
- এবার আপনার মোবাইল নাঃ সেট করা হয়ে গেল।আর যদি মোবাইল নাঃ আগেই সেট করা থাকে তাহলে এটি করা লাগবে না।এখন দেখুন সবুজ বাটনে লিখা activate text messaging। সেখানে clik করুন।এবং ধাপ গুলো অনুসরন করুন।(প্রথমে আপনার ক্যারিয়ার নির্বাচন করুন পরে যে নাম্বারে F লিখে এসএমএস করতে বলা হয়েছে সে নাম্বারে এসএমএস করুন)
- তারপর conformation code পেলে সেখানে দিন।এবার next করে পক্রিয়াটি শেষ করুন ।
আশা করি সবাই করতে পেরেছেন।
বিঃ দ্রঃ অনেক সময় ফেইসবুকের এর সার্ভারে সমস্যার কারনে এসএমএস পেতে দেরি হতে পারে।তবে কয়েক ঘণ্টা পরে এলে কোড দিয়ে দিবেন।আর এখন মোবাইল থেকে মোবাইল নাম্বার দিয়ে (email এর পরিবর্তে mobile number দিলে) ফেইসবুক খুললে এটা একাই active হয়।
নিজেই তৈরি করুন আপনার নামের বার কোড !!!
আমারা সবাই বার কোড জিনিসটির সাথে পরিচিত।লক্ষ্য করলে দেখা যায় সব পণ্যের গায়েই কিছু লম্বা সাদা কালো দাগ রয়েছে।এগুলোই আসলে বার কোড।কোন পণ্য সম্পর্কে অনেক প্রকার তথ্য এগুলোর মাঝে লুকান থাকে।কিন্তু আমারা কিন্তু তা পরতে পারি না।কারন এই কোড গুলো পড়ার জন্য বারকোড রিডেবল মেশিন বা সফটওয়্যার দরকার।এখানে কিছু কথা বলে রাখা ভাল এই বার কোড কিন্তু একরকম না। এই কোডের অনেক গুলো সিস্টেম আছে। যেমন - QR-code, code-128, maxi code, code-39 , code 16k ,codebar ইত্যাদি।আর এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী ব্যবহার করা কোড হল কোড ১২৮।যাই হোক সারা জীবন তো খালি পণ্যের বার কোড ই দেখে এলাম, চলুন আজকে নিজের নামের বার কোড তৈরি করি।আমি একটি সাইটের ঠিকানা দেব,আমার জানা মতে এটাই সব থেকে সহজ অনলাইন বার কোড তৈরিকারী সাইট।এঁর জন্য
- প্রথমে এই সাইটে যান
- এবার সিলেক্ট এ বার কোড থেকে code 128 সিলেক্ট করুন
- enter data from barcode এর বক্স এ আপনার নাম দিন
- এবার নিচের কম্ব বক্স থেকে size দিন(normal সিলেক্ট করাই ভাল)
- এবার create barcode এই বাটনে ক্লিক করে আপনার নিজের নামের বারকোড লুফে নিন
এছাড়াও আমি একটি সফটওয়্যার এঁর লিঙ্ক দিচ্ছি।এখান থেকে বার কোড তৈরি করতে পারবেন। এখান থেকেডাউনলোড করুন।
ছবি রিসাইজ করার দারুণ সফটওয়্যারঃ Riot
আজ আপনাদেরকে দারুণ কাজের একটি পোর্টেবল সফটওয়্যারের কথা জানাব। খুবই ছোট সাইজের হলেও Riot (Radical Image Optimization Tool) সফটওয়্যারটির কাজের পরিধি অনেক বড়। সাধারণত আমাদের বেশিরভাগের কম্পিউটারেই প্রচুর ছবি থাকে। অনেক ছবি থাকে যেগুলো ডিজিটাল ক্যামেরায় তোলা। তাই এসব ছবি সাইজেও অনেক বড় হয়। এরকম ১-২টা করে সবগুলো ছবি অনেক জায়গা নিয়ে ফেলে আমাদের হার্ডডিস্কের। এখন আমরা না পারি ছবিগুলো পিসি থেকে ডিলিট করে ফেলতে, আবার এগুলোর সাইজের কারণে বেশ চিন্তায় পড়ে যেতে হয় আমাদের। আমাদের এই সমস্যার সমাধান নিমিষেই করে দিবে এই riot সফটওয়্যারটি।
সাধারণত অন্যান্য ছবি রিসাইজ সফটওয়্যার ব্যবহার করলে ছবির কোয়ালিটি অনেকখানি নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু riot ছবির কোয়ালিটি প্রায় অপরিবর্তিত রেখে ছবিকে রিসাইজ এবং কম্প্রেস করে অনেক কম সাইজ করে করে ফেলতে পারে। যার ফলে ছবিটির মানও অক্ষুন্ন থাকল, আবার সাথে সাথে হার্ডডিস্কের জায়গাও বেঁচে গেল। সফটওয়্যারটির ডাউনলোড লিংকঃ
আশা করি সফটওয়্যারটি আপনাদের ভালো লাগবে।
যেকোন রিমোট (TV/VCR/AC) ঠিক আছে কিনা জেনে নিন ক্যামেরাযুক্ত মোবাইলের মাধ্যমে :)
সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি । আশা করি সকলে ভালো আছেন । আজ আপনাদের সাথে একটি মজার জিনিস শেয়ার করব । এইটি হল মোবাইল দিয়ে রিমোট ঠিক আছে কি না তা জানা । হয়ত শুনে অবাক লাগছে যে, এটা কিভাবে সম্ভব , কিন্তু এটি সত্য । আপনার বাসায়, অফিসে এবং অন্যান্য যায়গায় TV,VCR ও অন্যান্য যন্ত্রের রিমোট কন্ট্রোল বিভিন্ন যন্ত্র থাকে। ব্যাটারী নতুন বা ভালো থাকা সত্বেও মাঝে মাঝে দেখা যায় এগুলো কাজ করে না তখন আপনি বুঝতেই পারেন না যে সমস্যাটা কোথায় । তখন এই সামান্য সমস্যাটি নিয়ে স্থানীয় ইলেকট্রনিক্স সার্ভিসিং এর দোকানে যান ।
তবে এই টিপস আপনার অনেক কাজে লাগাতে পারেন । সমস্যাটা যদি আসলেই রিমোটেই হয় তবে একে পরীক্ষা করার জন্য আপনাকে বেশি কিছু করতে হবে না । সাধারণত এখন তো আমাদের সবার হাতেই ক্যামেরা যুক্ত মোবাইল ফোন থাকে , তাহলে সেই মোবাইলটাকেই কাজে লাগান ।
নিচের নিয়মাবলি লহ্ম্য করুনঃ প্রথমে আপনার মোবাইলের ক্যামেরা ON করেন তারপর সেই ক্যামেরাকে রিমোটের মাথায় অর্থাৎ যেখানে রিমোটের বাল্ব রয়েছে সেখানে অবস্থান করান । এই অবস্থায় রিমোটের যে কোন একটি বাটন প্রেস করুন এবং মোবাইলের স্ক্রিনে দেখুন । কি দেখাচ্ছে ? যদি সেখানে প্রেস করার সাথে সাথেই মোবাইলের স্ক্রিনে একটি উজ্জ্বল লাইট দেখায় তখন আপনি বুঝবেন যে আপনার আপনার রিমোট ঠিক আছে আর যদি উজ্জ্বল আলো না দেখায় তবে বুঝবেন যে সমস্যাটা আপনার রিমোটেই ।
[বিদ্রঃ তবে মনে রাখবেন যে উজ্জ্বল আলো নাও দেখাতে পারে যদি আপনার রিমোটের ব্যাটারী নষ্ট থাকে ]
তবে এই টিপস আপনার অনেক কাজে লাগাতে পারেন । সমস্যাটা যদি আসলেই রিমোটেই হয় তবে একে পরীক্ষা করার জন্য আপনাকে বেশি কিছু করতে হবে না । সাধারণত এখন তো আমাদের সবার হাতেই ক্যামেরা যুক্ত মোবাইল ফোন থাকে , তাহলে সেই মোবাইলটাকেই কাজে লাগান ।
নিচের নিয়মাবলি লহ্ম্য করুনঃ প্রথমে আপনার মোবাইলের ক্যামেরা ON করেন তারপর সেই ক্যামেরাকে রিমোটের মাথায় অর্থাৎ যেখানে রিমোটের বাল্ব রয়েছে সেখানে অবস্থান করান । এই অবস্থায় রিমোটের যে কোন একটি বাটন প্রেস করুন এবং মোবাইলের স্ক্রিনে দেখুন । কি দেখাচ্ছে ? যদি সেখানে প্রেস করার সাথে সাথেই মোবাইলের স্ক্রিনে একটি উজ্জ্বল লাইট দেখায় তখন আপনি বুঝবেন যে আপনার আপনার রিমোট ঠিক আছে আর যদি উজ্জ্বল আলো না দেখায় তবে বুঝবেন যে সমস্যাটা আপনার রিমোটেই ।
[বিদ্রঃ তবে মনে রাখবেন যে উজ্জ্বল আলো নাও দেখাতে পারে যদি আপনার রিমোটের ব্যাটারী নষ্ট থাকে ]
Android মোবাইল অথবা Tab কে PC এর speakers হিসেবে ব্যবহার করুন
আপনি আপনার কম্পিউটার থেকে শব্দ বাজানো কোন উপায় আছে, এখানে PCspeakers হিসাবে একটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট ব্যবহার করতে পারেন
এটা সেট আপ করার জন্য মোটামুটি সহজ কোনো তারের প্রয়োজন হয় না এবং এটা কাজ করার জন্য আপনি এমনকি Android এর সর্বশেষ সংস্করণ প্রয়োজন হবে না.
SoundWire নামক একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে এটি করা যায়
অ্যাপ্লিকেশন বিনামূল্যে কিন্তু যদি আপনি চান আপনি পূর্ণ সংস্করণ জন্য £ 2.50 দিতে পারেন. "অ্যাপ্লিকেশনের সংস্করণ বিনামূল্যে প্রতি 45 মিনিট এবং প্রদর্শন বিজ্ঞাপন ভয়েস দ্বারা নিজেই চিহ্নিত করা হয়. মুক্ত সংস্করণ একটি 10 মিনিট কম্প্রেশন বিচার নেই. পূর্ণ সংস্করণ সীমাহীন কাজ অডিও কম্প্রেশন করতে সক্ষম হবেন, (10 সংযোগ পর্যন্ত) একাধিক ক্লায়েন্ট হ্যান্ডেল করতে পারেন, এবং কোন বিজ্ঞাপন বা ভয়েস সনাক্তকরণ আছে. এটি অবিকল মিলিসেকেন্ডে, "GeorgieLabs ব্যাখ্যা একটি বিশেষ প্রো সেট মোড এবং প্রদর্শন বাফার লেটেন্সি আছে.
পিসি স্পিকার হিসেবে অ্যান্ড্রয়েড ফোন বা ট্যাবলেট কিভাবে ব্যবহার করার জন্য
ধাপ এক
ডাউনলোড করুন (উইন্ডোজ, লিনাক্স বা রাস্পবেরী Pi) here এবং অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস here (full version is here).

ধাপ দুই
অ্যাপ্লিকেশন এবং ডেস্কটপ সার্ভার উভয় চালান এবং তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংযোগ স্থাপন করা উচিত. ওয়াই ফাই, দুটি একই নেটওয়ার্কের হতে হবে.
ধাপ তিন
এবং আপনি পিসিতে SoundWire সার্ভার মধ্যে অডিও উত্স নির্বাচন করুন. এক্সপি ব্যবহারকারীদের তোমার শুনতে কি '' মিশ্রণ তরঙ্গ আউট 'বা' ঘন মিশ্রণ 'নির্বাচন করা উচিত যখন উইন্ডোজ 7/8 জন্য' ডিফল্ট মাল্টিমিডিয়া ডিভাইস জরিমানা করা উচিত. লিনাক্স ব্যবহারকারীদের README ফাইলের মধ্যে নির্দেশাবলী অনুসরণ করা উচিত.

ধাপ চার
এখন আপনি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস এর স্পিকার কাছ থেকে গান শুনতে পারবেন . আপনার কম্পিউটার নিঃশব্দ করা যাবে এবং আপনি SoundWire সার্ভার মধ্যে মাস্টার নিয়ন্ত্রণ সাথে ভলিউম মাত্রা নিয়ন্ত্রন করতে পারেন.
এটা সেট আপ করার জন্য মোটামুটি সহজ কোনো তারের প্রয়োজন হয় না এবং এটা কাজ করার জন্য আপনি এমনকি Android এর সর্বশেষ সংস্করণ প্রয়োজন হবে না.
SoundWire নামক একটি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে এটি করা যায়
অ্যাপ্লিকেশন বিনামূল্যে কিন্তু যদি আপনি চান আপনি পূর্ণ সংস্করণ জন্য £ 2.50 দিতে পারেন. "অ্যাপ্লিকেশনের সংস্করণ বিনামূল্যে প্রতি 45 মিনিট এবং প্রদর্শন বিজ্ঞাপন ভয়েস দ্বারা নিজেই চিহ্নিত করা হয়. মুক্ত সংস্করণ একটি 10 মিনিট কম্প্রেশন বিচার নেই. পূর্ণ সংস্করণ সীমাহীন কাজ অডিও কম্প্রেশন করতে সক্ষম হবেন, (10 সংযোগ পর্যন্ত) একাধিক ক্লায়েন্ট হ্যান্ডেল করতে পারেন, এবং কোন বিজ্ঞাপন বা ভয়েস সনাক্তকরণ আছে. এটি অবিকল মিলিসেকেন্ডে, "GeorgieLabs ব্যাখ্যা একটি বিশেষ প্রো সেট মোড এবং প্রদর্শন বাফার লেটেন্সি আছে.
পিসি স্পিকার হিসেবে অ্যান্ড্রয়েড ফোন বা ট্যাবলেট কিভাবে ব্যবহার করার জন্য
ধাপ এক
ডাউনলোড করুন (উইন্ডোজ, লিনাক্স বা রাস্পবেরী Pi) here এবং অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস here (full version is here).
ধাপ দুই
অ্যাপ্লিকেশন এবং ডেস্কটপ সার্ভার উভয় চালান এবং তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংযোগ স্থাপন করা উচিত. ওয়াই ফাই, দুটি একই নেটওয়ার্কের হতে হবে.
ধাপ তিন
এবং আপনি পিসিতে SoundWire সার্ভার মধ্যে অডিও উত্স নির্বাচন করুন. এক্সপি ব্যবহারকারীদের তোমার শুনতে কি '' মিশ্রণ তরঙ্গ আউট 'বা' ঘন মিশ্রণ 'নির্বাচন করা উচিত যখন উইন্ডোজ 7/8 জন্য' ডিফল্ট মাল্টিমিডিয়া ডিভাইস জরিমানা করা উচিত. লিনাক্স ব্যবহারকারীদের README ফাইলের মধ্যে নির্দেশাবলী অনুসরণ করা উচিত.
ধাপ চার
এখন আপনি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস এর স্পিকার কাছ থেকে গান শুনতে পারবেন . আপনার কম্পিউটার নিঃশব্দ করা যাবে এবং আপনি SoundWire সার্ভার মধ্যে মাস্টার নিয়ন্ত্রণ সাথে ভলিউম মাত্রা নিয়ন্ত্রন করতে পারেন.
কম্পিউটারে কখন কী ঘটছে? (Wise System Monitor a free Windows utilities to monitor process, hardware and network traffic.)
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ৭ বা ভিস্তায় বেশ কিছু ডেস্কটপ প্রোগ্রাম বা গ্যাজেট আছে। সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ অনেক তথ্য এসব গ্যাজেট থেকে জানা যায়। উইন্ডোজ ৮ সিস্টেমে ওই রকম কোনো গ্যাজেট না থাকলেও বিকল্প হিসেবে রিসোর্স মনিটর দিয়ে কম্পিউটারের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়। এর সাহায্যে কম্পিউটারের তাৎক্ষণিক বিভিন্ন তথ্য যেমন: সিপিইউ ব্যবহার, তাপমাত্রা, র্যাম ও নেটওয়ার্ক ব্যান্ডউইথ কতটুকু ব্যবহৃত হচ্ছে, তা দেখা যাবে। আবার তৃতীয় পক্ষের তৈরি করা বিনা মূল্যের সফটওয়্যারও পাওয়া যায় বেশ কিছু এ কাজের জন্য।
উইন্ডোজের নিজস্ব রিসোর্স মনিটর সুবিধাটি ব্যবহার করতে হলে নিচের টাস্কবারে ডান ক্লিক করে টাস্ক ম্যানেজার নির্বাচন করতে হবে। এরপর পারফরম্যান্স ট্যাবে ক্লিক করে রিসোর্স মনিটর অপশনে ক্লিক করতে হবে। উইন্ডোজ ৮-এ একে টাস্কবারে আটকে (পিন) রাখা যাবে। উইন্ডোটির আকার ছোট-বড় করে গ্যাজেট বা অ্যাপ আকারে রাখা যাবে।
ঠিক একই রকম কাজের জন্য ওয়াইজ সিস্টেম মনিটর নামে বিনা মূল্যের একটি সফটওয়্যার আছে। এতে রিসোর্স মনিটরের চেয়ে বেশি সুবিধা পাওয়া যাবে। এটি ইনস্টল করার পর চালু করলে কম্পিউটারের বর্তমান নেটওয়ার্কের গতি, র্যাম, সিপিইউ, তাপমাত্রার তথ্যসহ ছোট একটি ভাসমান বার দেখা যাবে। এসব অপশনে ক্লিক করলে কম্পিউটারের তাৎক্ষণিক অবস্থা আরও বিস্তারিত জানা যাবে। ইন্টারনেটের সর্বোচ্চ গতি, কোন পোগ্রাম কতটুকু ডেটা আপলোড করল, কোন কোন প্রোগ্রাম কতটুকু র্যাম দখল করে আছে, কী কী প্রক্রিয়া সিপিইউয়ের কতটা ক্ষমতা ব্যবহার করছে—এ সবই দেখা যাবে এটি দিয়ে। প্রোগ্রামটি পাওয়া যাবে http://goo.gl/vaiTPP ওয়েব ঠিকানায়। এর আকার ১.৪২ মেগাবাইট।
নতুন ব্রাউজার ভিভালডি
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এক সাক্ষাৎকারে টেচনার জানিয়েছেন, যাঁরা বেশি বেশি ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, তাঁদের কথা মাথায় রেখেই তৈরি হয়েছে ভিভালডি ব্রাউজারটি। এটার ইন্টারফেস এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে স্ক্রিনে যেসব ট্যাব ওপেন করা হয় তা দেখতে বিশেষ সুবিধা হয়।
টেচনার বলেন, ভিভালডি ব্রাউজারটির মোবাইল ফোন ও ট্যাবলেট সংস্করণ তৈরির কাজ চলছে। এটি তৈরি হলেই উন্মুক্ত করা হবে।
অষ্টাদশ শতাব্দীর বিখ্যাত গীতিকার অ্যান্টোনিও ভিভালডির নাম থেকে এই ব্রাউজারটির নামকরণ করা হয়েছে। অপেরা সফটওয়্যারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক ব্রাউজার ও মোবাইল ফোন প্রযুক্তি বিভাগের প্রধান হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন টেচনার। নিজের সেই অভিজ্ঞতার বিষয়টিই ভিভালডি নামকরণের মাধ্যমে তুলে আনতে চেয়েছেন তিনি। ২০১১ সালে অপেরা ছেড়ে ভিভালডি ডটনেট নামের একটি সামাজিক যোগাযোগের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেন তিনি। নতুন ব্রাউজার তৈরিতে ৯০ শতাংশের বেশি বিনিয়োগ তাঁর।
টেচনার এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘কখনো কখনো নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে নিজস্ব বিনিয়োগের দরকার পড়ে। আমি মনে করি সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব।’
গুগল ক্রোম, মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, অ্যাপলের সাফারি, মজিলার ফায়ারফক্স এমনকি অপেরা নিজস্ব ব্রাউজার থাকার পরও নতুন ব্রাউজার কেন? টেচনার মনে করছেন, ব্রাউজার নিয়ে প্রতিযোগিতা থাকলেও নতুন ব্রাউজার উঠে আসার সুযোগ রয়েছে।
আমাদের ব্রাউজার সবার জন্যই। তবে যাঁরা বেশি বেশি নেট ঘাঁটেন এবং ব্রাউজার থেকে বেশি কিছু চান, তাঁদের জন্যই তৈরি করা হয়েছে ভিভালডি। এ ধরনের ব্রাউজারের চাহিদা আছে।
ভিভালডি ব্রাউজারে থাকছে ব্যক্তিগত নোট রাখা, ছোট স্ক্রিন শটের মাধ্যমে বুকমার্ক করে রাখা, একাধিক গ্রুপ ও ফোল্ডার তৈরি করার মতো বিশেষ ফিচার।












